
পটুয়াখালী প্রতিনিধি :::: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদারের বাসভবনে একটি সভায় অংশ নিয়ে সদ্য ঘোষিত বাউফল উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃরিয়াজ মাহমুদ সহ অন্যদের সাথে ছবি তুলেছেন বাউফল পৌর আওয়ামী লীগের ৫নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ।
নিজের ফেসবুক একাউন্টে একাধিক ছবি পোস্ট করে রিয়াজ লিখেছেন, ‘আজ দুপুর দুই ঘটিকার সময় বাউফল উপজেলা যুবদলের বিপ্লবী সভাপতি গাজী গিয়াস ভাইয়ের সাথে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলামের সাথে এবং মোঃ জুরান ভাইয়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ, তাই সকলের কাছে দোয়া চাই।’
আওয়ামী লীগ নেতা রিয়াজের ফেসবুক একাউন্টটিতে আওয়ামী লীগের অনেক প্রোগ্রামে সক্রিয় অংশ গ্রহণের ছবি রয়েছে । বাউফলের পৌর মেয়র ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল জুয়েল থেকে শুরু করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি,জেলা যুবলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সদস্য সাবেক অর্থ মন্ত্রী লোটাস কামালের মেয়ের জামাই হাসিব আলম তালুকদার, বাউফল উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রাহাত জামশেদ সহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রায় সকল নেতৃবৃন্দের সাথেই ছবি রয়েছে রিয়াজের। আওয়ামী লীগের পক্ষে চেয়েছেন ভোটও।
২০২২ সালের ১৩ অক্টোবর রিয়াজ তাঁর ফেসবুকে কয়েকটি ছবি জুড়ে দিয়ে লেখেন, ১০ অক্টোবর ২০০৬ সালে ক্ষমতা দ’খ’লের জন্য বিএনপি জামায়াতের ক্যা’ডা’ররা আওয়ামী লীগের ১২৬ জন কর্মীকে হ’ত্যা করেছিল।
একজন সক্রিয় আওয়ামী লীগ কর্মীকে প্রকাশ্যে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থীর বাড়িতে দেখায় সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন। উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবদলের সভাপতি আহসান খোন্দকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন উপজেলা যুবদলের নব গঠিত আংশিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ ইতিপূর্বেও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের পক্ষে কাজ করায় বিগত ৪এপ্রিল বহিষ্কার হয়েছিল এবং বিগত ৬ জানুয়ারি বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করে ৮ জানুয়ারি ৪ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদারের সুপারিশে উক্ত কমিটিতে রিয়াজ মাহমুদকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটি পেয়েই রিয়াজ আবার আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের পুনর্বাসন শুরু করেছে । তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি সংগঠেনর গঠনতন্ত্র এবং বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রাম অংশ গ্রহণের ভিত্তিতে কমিটি করার দাবী জানিয়েছেন।


