
আওয়ামিলীগে যোগ দেয়া কাউন্সিলর হুমায়ুন ও তার ভাই শহিদের লাগাম টানবে কে?
নিজস্ব প্রতিবেদক // আওয়ামিলীগের সাবেক সিটি কর্পোরেশন মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত এর সাথে আঁতাত করে নির্বাচনে জয়ী হলে আওয়ামিলীগে যোগ দিবেন; এমন শর্তেই জিতেছিলেন বিএনপি থেকে আজীবন বহিস্কৃত ও ২৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির। একইসাথে তার ভাই শহিদুল ইসলাম ওরফে শহিদ ঢালী ঘুড়ি মার্কায় ডামি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন।এসবের সত্যতা মেলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তথ্য উপাত্ত ও খোকন সেরনিয়াবাতকে ফুল দিয়ে যোগ দেয়া শহিদ ঢালী ও হুমায়ুন কবিরের একাধিক স্থিরচিত্র থেকে। স্থিরচিত্র গুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির ও তার ভাই ফুল দিয়ে খোকন সেরনিয়াবাত ও লুনা আব্দুল্লাহকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছেন।
অন্য একাধিক ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়,হুমায়ুন কবির সাবেক স্বৈরাচারী সরকারের প্রভাবশালী সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের সাথে একাধিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন। এছাড়াও খোকন সেরনিয়াবাত এর বাসভবনে একাধিকবার তাদের ব্যক্তিগত কাজে দেখা যায়।
শহিদ ঢালীর ফেইসবুক আইডি থেকে পাওয়া ছবি ও স্ট্যাটাসে দেখা যায় বিএনপির চেয়ারপারসন এর উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টু কাউন্সিল হুমায়ুন কবিরের বাসায় আপ্যায়ন গ্রহন করছেন।যদিও শহিদ ঢালী এটিকে সাংগঠনিক সফর বলে উল্লেখ করেন স্ট্যাটাসে। তবে বিএনপির সাধারন নেতাকর্মীদের অভিযোগ লাল তীর সিড এর ম্যানেজারকে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে ভুল বুঝিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন এর উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে এই বাসায় আনা হয়েছে শুধুই প্রভাব বিস্তার করতে রাজনৈতিক মহলে।
এ বিষয়ে খোকন সেরনিয়াবাতের একাধিক ঘনিষ্ঠজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বীকার করেন যে,হুমায়ুন কবির ও তার ভাই শহিদ এখানে আসতো।তারা বিএনপি থেকে নির্যাতিত বলে আওয়ামিলীগের রাজনীতিতে আসবেন। এজন্য নির্বাচিত হওয়ার পর হুমায়ুন কবির ও তার ভাই ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা দেওয়ার মাধ্যমে যোগ দেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়,শহিদ ঢালী ২৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামিলীগ নেতা সৈয়দ গোলাম কবির মামুনের পুত্র রাব্বিকে শেল্টার দিতেন এখনও দেন।রাব্বি হুমায়ুন কবিরের নির্বাচনে সরাসরি কাজ করে এবং ভোটকেন্দ্র দখল করে জাল ভোটে সক্রিয় কাজ করে।একথা স্থানীয় ভোটারদের মাঝে অজানা না; কিন্তু রাব্বি সন্ত্রাসী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলেনি।
স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের দাবী,এসব আওয়ামিলীগের সক্রিয় দোসরদের অনতিবিলম্বে দল থেকে আজীবন বহিস্কৃত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক।
অভিযোগের বিষয়ে কাউন্সিলর হুমায়ুন কবিরের সাথে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য সংগ্রহ সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি, সাধারন সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা


