
নাঈম ইসলাম জেলা প্রতিনিধি :::: বরগুনার তালতলী উপজেলার ৭নং সোনাকাটা ইউনিয়নে ৪ নং ওয়ার্ডের সকিনা এলাকায় চাচার গোপনঅঙ্গ কেটে দিয়েছেন ভাতিজি এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় কবিরকে বরিশাল হাসপাতালের চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭নভেম্বর) ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুরোপুরি ঘটনা জানা যায়নি তবে এই ঘটনার পিছানে রহস্য লুকিয়ে আছে । আহত কবির হোসেন (৩৫) একজন জেলে তার বাড়ি সোনাকাটা ইউনিয়নের সকিনা এলাকায় তিনি ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত দুই সন্তানের পিতা। কবির গত ১০ বছর আগে পার্শ্ববর্তী নিদ্রা এলাকায় বিয়ে করেন।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসা সজনরা জানায়,একই এলাকার প্রতিবেশী ভাতিজি কে (১৮) অনেক দিন ধরে উত্ত্যক্ত করেন কবির। ৭বনভেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৭ টার দিকে প্রতিবেশী ভাতিজির বাড়িতে গেলে তাকে একা পেয়ে অশ্লীলতাও তার গায়ে বিভিন্ন জায়গায় হাত দেয় কবির পরে ভাতিজি ঘরে থাকা বাংলা দা দিয়ে চাচার গোপনঅঙ্গ কেটে দেয়।এ বিষয়ে স্বজনদের কাছে জানা যায়,কবির প্রতিবেশী সম্পর্কে চাচা হলেও এর আগে ভাতিজির বড় বোনদের উত্ত্যক্ত করতো। তবে ভাতিজির মা-বাবা কাজে গেলে সুযোগ বুঝে ঘরে ঢুকে প্রতিবেশী চাচা কবির। ঘরে ঢুকে ভাতিজির শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দিলে পাশে থাকা বাংলা দা দিয়ে চাচার গোপনাঅঙ্গ কেটে দেয় ভাতিজি। এমন অবস্থায় স্থানীয়রা কবিরকে উদ্ধার করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায় গুরুতর আহত হয় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের রেফার করেন।তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোঃ কামাল খান বলেন,খবর পেয়েছি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


