
নিজস্ব প্রতিবেদক::: বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর এলাকায় শুক্রবার রাতে এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। স্বামীর সঙ্গে আবাসিক হোটেলে থাকার সময় গোপনে ধারণ করা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।
এ ঘটনায় পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল রোববার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তারা হলো– শাহীন হাওলাদার, শাহ আলম, সবুজ হাওলাদার, মিঠু ও জাহিদ। জাহিদের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জে এবং অন্যরা উজিরপুরের বাসিন্দা। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানার ওসি জাকির সিকদার এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, শুক্রবার রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। গৃহবধূর মামলায় বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, বিয়ে হলেও আনুষ্ঠানিকতা না হওয়ায় ওই তরুণী স্বামীর সঙ্গে মাঝেমধ্যে বরিশাল নগরীর বিবির পুকুরপাড় এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে রাত্রিযাপন করতেন। এ সুযোগ নিয়ে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ধারণ করে ওই হোটেলের কর্মচারী জাহিদ। শুক্রবার জাহিদ গৃহবধূকে খবর দিয়ে জানায়, তাদের ভিডিও শাহীন হাওলাদার নামে এক যুবকের কাছে সে দেখেছে। এমন খবর শুনে রাতে হোটেলে ছুটে যান গৃহবধূ। পরে শাহীন হোটেলে এসে জানায়, ভিডিও যে মোবাইল ফোনে রাখা, সেটি তার বাসায় রেখে এসেছে। এর পর ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেয় শাহীন। পরে ভিডিও মুছে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গৃহবধূকে শাহীন তার বাসায় নিয়ে যায়। বাবুগঞ্জের রহমতপুর বাজার সংলগ্ন বাসায় পৌঁছার পর তাকে আটকে রেখে পাঁচজন ধর্ষণ করে। তাদের হাত থেকে মুক্ত হওয়ার পর গৃহবধূ বিমানবন্দর থানায় গিয়ে অভিযোগ দেন


